1. admin@meghnarkagoj.com : admin :
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন দেবিদ্বারে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারর্স এসেসিয়েশন’র ঈদ পুণর্মিলনী ও আলোচনা সভা দেবিদ্বারে সুবিল ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল দেবিদ্বার প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়োগনেষ্টিক সেন্টার মালিক সমিতির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল দেবিদ্বারে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে শ্রমীকদের কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ,ঘন্টাব্যাপি তীব্র যানযট কুমিল্লা (উঃ) জেলা আওয়ামীলীগের সংবাদ সম্মেলন ও সাংবাদিক মতবিনিময় দেবীদ্বারে সাথী ফসল হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে বাঙ্গি’র চাষ দেবীদ্বারে শতাধিক অসহায়ের মাঝে যুবলীগের ইফতার সামগ্রী বিতরণ দেবীদ্বারের শিক্ষানুরাগী অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরিফুর রহমানের মানবিকতা দেবীদ্বার উপজেলা আ’লীগের কমিটি গঠনে জেলা সাংগঠনিক টিমের প্রথম সভায় গুরুত্বপুর্ন সিদ্ধান্ত

বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলো না ছুরিকাঘাতে আহত কাকলির

দৈনিক মেঘনার কাগজ
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২
  • ১৯৬ বার পঠিত

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

শরীয়তপুরে ছুরিকাঘাতে আহত কাকলি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার তার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল, সোমবার ছিল বিয়ের দিন।
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সোমবার ভোরে কাকলির মুত্যু হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ছুরি হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

নিহত কাকলির মা ফরিদা বেগম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাকলি শরীয়তপুর সদর উপজেলার চরপালং গ্রামের দুবাই প্রবাসি নুরুজ্জামান মাদবরের মেয়ে। শরীয়তপুর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার দাখিলের ছাত্রী ছিলেন তিনি।

মা ফরিদা বেগমের অভিযোগ, ওই মাদরাসারই সাবেক ছাত্র জাহিদুল ইসলাম তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতেন। পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু জাহিদুলের কাছে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হননি তারা।

তিনি জানান, সম্প্রতি অন্যত্র কাকলির বিয়ে ঠিক করেন তারা। রোববার তার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। আর সোমবার ছিল বিয়ের দিন। সে অনুযায়ী বাড়িতে বিয়ের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ঘরে ঢুকে কাকলিকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন জাহিদুল। তার চিৎকারে পালিয়ে যাওয়ার সময় জাহিদুলকে ধরে পিটুনি দেয় এলাকার মানুষ।

খবর পেয়ে পুলিশ দুজনকেই উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে দুজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে কাকলিকে সেখান থেকে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিউতে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে সেখানে তার মুত্যু হয়।

ফরিদা বেগম বলেন, আমার মেয়েরে যে মারছে, তার বিচার চাই। ওর কোনো দোষ ছিল না। আমার মাইয়াডারে ওই জানোয়ার কোপায়া মাইরা ফালাইছে। ওর যন্ত্রণায় আমার মাইয়ার বিয়া ঠিক করছি। হেই মাইয়া মাইরা ফালাইল।

ভাই ফারুক মাদবর বলেন, আমার বইনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। আজ (রোববার) গায়ে হলুদ ছিল। এই কথা জেনে ওই বখাটে আমার বইনকে ছুড়ি দিয়া আঘাত করছে। আমরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ঢাকা রেফার করে। ঢাকায় আইসিউতে ছিল। আজ মারা গেছে।

আরো পড়ুন :  আজও রক্তক্ষরণ হচ্ছে খালেদা জিয়ার-অবস্থা ‘সংকটাপন্ন’

বোনের বিচার চেয়ে তিনি বলেন, বিনা দোষে আমার বোনের মরতে হলো। আমরা এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ওই তরুণীকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় তার ভাই একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেছিলেন। মামলাটি এখন হত্যা মামলায় নথিভুক্ত করা হবে। ওই মামলায় জাহিদুলকে আসামি করা হয়েছে। এলাকার মানুষের পিটুনিতে সে হাসপাতালে ভর্তি আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা