1. admin@meghnarkagoj.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্তানকে নিয়ে হলে এসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন যমজ দুইবোন! দেবিদ্বারে যুব মহিলা লীগের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্ম বার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা দেবিদ্বারে এমপি-চেয়ারম্যানের দ্বন্ধের তদন্ত প্রতিবেদন ১৫ কার্য দিবসে প্রধান মন্ত্রীর কাছে জমাদানের নির্দেশ আ’লীগ সভাপতি উপর হামলা ও এমপি রাজী’র নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে দেবিদ্বারে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল দেবিদ্বারে শান্ত হত্যাকান্ডে দুই আসামী গ্রেফতার, খুনিদের গডফাদারকে আইনের আওতায় আনার দাবী এলাকাবাসীর মাহবুবুর রহমানের মাতৃ বিয়োগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বাহরাইন জেলা শাখার শোক দেবিদ্বারে উপজেলা চেয়াম্যানের পানিবন্দী ৫০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ দেবিদ্বারে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন দেবিদ্বারে নবাগত ওসি কমল কৃষ্ণ ধরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় দেবিদ্বারে ছাত্র বলৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

করোনায় আক্রান্ত কুমিল্লা উওরের রাজনীতি।

দৈনিক মেঘনার কাগজ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২২
  • ২০০ বার পঠিত

আমি ছোট মানুষ। রাজনীতি বিষয়ে অত গভীরে কথা বলা আমার কতটা যুক্তিক তা জানিনা। তবে বলি,দল কে ভালোবাসার কারনে।আজকাল,কুমিল্লা উওর জেলা থেকে শুরু করে,দেবিদ্বার উপজেলা পর্যায় কোন নেতাকর্মীর সাথে কথা বলতে গেলে বা সু- সম্পর্ক বজায় রাখতে আপনাকে একটি অলিখিত টাইটেল কাধেঁ বয়ে বেড়াতে হবে।আর তা হলো, আপনি এর লোক,আপনি ওর লোক,আপনি তো দু মুখো সাপ,দুই দিকে আপনার হাটাচলা।অথচ,আপনি কিন্তু এক নৌকার ই লোক।কি কঠিন এক মূহর্ত অতিক্রম করছি আমরা।আমার মনে হয়,আমাদের কুমিল্লা উওর বিশেষ করে দেবিদ্বারের রাজনীতিকেও করোনায় আক্রমণ করেছে। মহামারির কারণে দেবিদ্বারের রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রায় বন্ধ ছিলো। তবে ঘরোয়াভাবে এবং ভার্চুয়াল সংযোগ হওয়ার মাধ্যমে রাজননৈতিক নেতাকর্মীদের যোগাযোগ ঠিক থাকলেও কোন্দলজনিত কারণে রাজনীতি যেন নেতিয়ে পড়েছিলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখতে পাবেন, নেতাদের কেউ কেউ এলাকায় কাজ করলেও বিচ্ছিন্নভাবে কাজের সুফলকে গায়েব করেছে দলের ভিতরের কোন্দল। আপনাদের একটা কথা মনে করিয়ে দেই, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ইলিয়াস আলীর গুম হওয়া নিয়ে মন্তব্য করে দলের ভিতরকার অবস্থা প্রকাশ করে দেন, যা সব গণমাধ্যমে গুরুত্বসহ প্রকাশ পায়। স্পষ্ট হয়ে যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়েই বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন স্পষ্ট। তেমনি, আমাদের কুমিল্লা উওরের ও দেবিদ্বার এর বর্তমানের রাজনৈতিক অবস্হা কি দলের কোন্দলের বিষয়টি প্রকাশ পায় না? এখন প্রশ্ন হচ্ছে সাংগঠনিক এ দুর্বলতা নেতৃত্বের ব্যর্থতা নয় কেন? অপ্রিয় হলে ও সত্য, দলে যখন যোগ্য নেতৃত্ব না থাকে তখনি দলের ভিতর কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। বর্তমানে বাস্তবতা হচ্ছে, আমাদের নেতাদের বিভাজনের কারণে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী হচ্ছে না, তা সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। হয়তো এটা আমার মতামত।তবে এরকম অনেকেরই অনেক রকম মতামত থাকতে পারে।
তবে,মতভিন্নতা গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে স্বাভাবিক। কিন্তু দলীয়ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়, এমন কোনো মতভিন্নতাকে নিশ্চয়ই গণতান্ত্রিক ধারাভুক্ত বলার সুযোগ থাকে না। তাই বলছি, আমাদের কুমিল্লা উওরে ও আমার দেবিদ্বারে আওয়ামী লীগের অবস্থা মসৃণ নয়।আমাদের নেতাদের মধ্যে মতভেদগুলো প্রকাশ্য নয়। সাংগঠনিকভাবে হয়তো তাদের ভিন্নমত
প্রকাশ হয়েও থাকতে পারে। আর এই মতামতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যক্তিস্বার্থ জড়িত থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে সংগঠনকে এর দায় বহন করতে হয়। কোন্দলের কারণে আমাদের নেতাদের এমন পরিস্থিতিতে যদি করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটে, তাহলে যে এই দলাদলি কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা বলা যাচ্ছে না। আমাদের নেতাদের কোন্দল আমাদের দলেরই ক্ষতি করছে না। বরং তৃতীয় শক্তির উদ্ভবের পথ করে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময় দেখা গেছে, মরহুম হুমায়ন মাহমুদ স্যার কে নিয়ে সমালোচনা,রৌশন আলী মাষ্টার কে নিয়ে আলোচনা,রজী মো ফখরুল মুন্সী কে নিয়ে বিতর্ক,আবূ কালাম আজদ কে নিয়ে কোন্দল,সব মিলিয়ে দলের ভেতরে এক করোনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।আমাদের এই নেতাদের মনের অভ্যন্তরে ঐক্য না থাকার কারননে তৃনমূল থেকে জেলা রাজনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।যার কারনে দলে কোন্দল এর পথটি মসৃণ হয়েছে। এমনেতে দলে কোন্দল সৃষ্টি করে বিপক্ষের ঐক্যে ফাটল ধরানো পুরোনো রাজনৈতিক কৌশল। এখন বিরোধী পক্ষ নেই। নিজেরাই নিজেদের সাথে মারামারি, খুনাখুনি করছে আওয়ামী লীগ। এমন সব খবর আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরদের কতটা বিব্রত করে সেটা আমি জানিনা। খোদ দলে কুমিল্লা উওর আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক সাহেবের ফোন আলাপ নিয়ে কতিপয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সহিংসত বিরোধ দেখতেছি আমরা। ফোন কলের বিষয়টি স্কিপ করে,পুরুনো একটি বিষয় মনে করিয়ে দেই। মরহুম হুমায়ন মাহমুদ স্যার এর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। ঐ ভিডিওটি কিন্তুু অন্য দলের কেউ ভাইরাল করে নাই,করেছিলো দলের কিছু অসচেতন লোক। তারা বারবার ভুলে যায় উপরে থুতু দিলে নিজের গায়ে পরে। হুমায়ন স্যার যখন মারা গেলেন,তখন ঐ সকল লোকেরা মায়া কান্না করে ফেবুতে শোকাহত বলে স্টেটাস দিলো ! এখন যদি কেউ প্রশ্ন করেন, হুমায়ন স্যার এবং রৌশন স্যার এর ভিডিও টি কি নৈতিক মানদন্ডে ঠিক ছিল? আমি বলবো কখনো না। কারন,ওনাদের কথায় শালীনতা বজায় ছিলো না। তার মানে কি এই,ওনারা জাতির সবচেয়ে ঘৃণীত লোক হিসেবে প্রমান করতে আমাদের উঠেপড়ে লাগতে হবে। ওানারা কি দলের জন্য কিছুই করে নাই? চেইন অফ কমান্ড বলে কি দলে কিছু নেই? যদি থেকে থাকে তা হলে আমরা লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ দলের হাইকমান্ড কে জানাতে পারতাম । তা না করে আমরা তৃতীয় শক্তির সাথে হাত মিলিয়ে দলকে কোন্দল- কাঁটায় বিদ্ধ করলাম । দল টানা ১২ বছর ধরে ক্ষমতায়, কিন্তু আওয়ামী লীগের যেকোন স্তরের নেতা কর্মীর সাথে কথা বললে দেখা যায় তারাই সবচেয়ে অসুখী। আওয়ামী লীগে দলীয় কোন্দল নিতান্তই চেনা ঘটনা। আমার দেবিদ্বারে অনেকেই আছেন, নির্বাচনে দলের বিক্ষুব্ধদের মদত দিয়ে অন্তর্ঘাত করছেন অনেকেই। তারাই বর্তমানে আছেন বহাল তবিয়তে। বিরোধী দল বিহীন একতরফা নির্বাচন যেহেতু হয় তাই এই বিবাদ, অন্তর্ঘাত, হিংসার ফলাফল হয়তো আমরা বুঝতে পারছিনা। আর সেজন্যই এবারের পূজার মত বহু ঘটনায় আমরা দেখছি, সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তিকে ঠেকাতে পুলিশ ও প্রশাসন নির্ভরতা ছাড়া কোন শক্তিই দেখাতে পারছে না বর্তমানে আওয়ামী লীগ। শুধুই সাফল্য নয়, পরাজয়ের দায় স্বীকার করাটাও আমাদের শিখতে হবে। কেউ ভুলের বাহিরে নয়। তাই বলছি যে,রৌশন ভাই যেমন কাথায় শালীনতা না রেখে কথা বলার জন্য জাতির কাছে সরি বলা জরুরি, তেমনি যারা অতি উৎসহের সাথে দলের লোক হয়ে ও ফোন কলটি অশালীন কথাবার্তার মাধ্যমে প্রচার করেছেন তাদের কে ও ক্ষমা চাওয়া জরুরি বলে মনে করছি। আমার মতে, এই অবস্থার বড় কারণ; রাজনৈতিক চর্চার চেয়ে ক্ষমতার চর্চাকে প্রাধান্য দেওয়া। যার ফলে অস্হীতিশিল রাজনীতি বিরাজমান।কারন স্থিতিশীল রাজনীতি অনেকেরই শিরঃপীড়ার কারন, এ কথাটি আমাদের এক শ্রেনীর মানুষদের বুঝতে হবে। ক্ষমতাসীন জোটের, বিশেষ করে শেখ হাসিনার দৃঢ়তার কারনে এখানো দেশদ্রোহীরা কোনঠাসা। তবে দলের সিনিয়র নেতাদের কথাবার্তা সংযত না হওয়ার কারনে একদল মানুষ প্রতিবাদের নামে দলে কোন্দল সৃষ্টি করছে। পরিনতিতে সংকটাপন্ন হয় দল ও নেত্রী, দুর্ভোগ বাড়ে সাধারন তৃনমূল মানুষের, যা মোটেও কাম্য হতে পারে না। কুমিল্লা উওরে বিশেষ করে আমার দেবিদ্বারে কিছু রাজনৈতিক নেতা আছে, যে কতিপয় নেতারা দলের মূল বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা করছে। হয় তারা এটা জেনে-বুঝে, কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য করছে অথবা এরা দলের বিষয়ে অজ্ঞ। বিশেষ করে দলীয় কোন্দল নিয়ে সারা দেশ যখন সংকটে তখন এর আঁচ কুমিল্লা উওর এবং আমর দেবিদ্বারে ও পাচ্ছি। কারো পাতা ফাঁদে পা দেয়া চলবেনা। অনেকেই এ স্হিতিশীল দেবিদ্বার কে অস্হিতিশীল করার পথ খুজছে। এমন অবস্থায় দলের সিনিয়র নেতাদের আজকের এই অরাজগতার মূল বিষয়টি নিয়ে আরো গবেষনার পরামর্শ রইলো। দলকে আরো বেশি জানুন, তারপরে দল নিয়ে ব্যাখ্যা দিন। স্বল্প অভিজ্ঞতায় দল নিয়ে বাচালতা মানায় না। রোশন আলী মাষ্টার এর বক্তব্যকে কোন গবেষণা ছারা কেন চ্যালেঞ্জ করতে হবে তা আমার বোধগম্য হয়নি। দল বিষয়ে যাদের মিনিমাম পড়াশোনা ও জ্ঞান আছে তারা কখনোই এমন বক্তব্য দিতে পারেন না, যে বক্তব্য দল ও তৃনমূল সমাজদেহে আঘাত করতে পারে।তাই বলছি,
ওনি একজন সাধারন সম্পাদক হয়ে এ ধরনের কথা কেনো বলেছে সে বিষয়টি নিয়ে দলের হাইকমান্ড কে গবেষণা করতে হবে বলে
মনে করছি।কারন, আমি ঐ সকল মানুষদের প্রতিবাদের মিছিলে দেখেছি,যারা কুমিল্লা উওর জেলা ছাত্রলীগ এর সাবেক সাধারন সম্পাদক এর ইয়াবা খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ও ফেবুতে ঐ নেতার পক্ষে সাফাই গাইছে। সেই সকল বিপদজনক; কম জানা ও কম পড়াশোনা করা মানুষ গুলি যে সমাজে শান্তি, স্থিতিশীলতার পরিবর্তে উগ্রতাকে উসকে দিবে এটা স্বাভাবিক । একজন মানুষকে আপনার আমার পছন্দ নাও হতে পারে, তাই বলে এর বিরুদ্ধে বিষোধগার করারও কোনো অধিকার আপনার আমার
নাই। কয়েক লক্ষ মানুষের বিশ্বাসকে আপনি আমি এক ফুৎকারে উড়িয়ে দিতে পারি না। আর যখনই আপনি এই চেষ্টা করবেন
তৎক্ষণাত প্রমাণ হলো আপনি সমাজ, রাষ্ট্র ও মানবতার শত্রু। তাই আমি আপনাদের অনুরুদ করছি,আপনারা উপলব্ধি করুন,
বিবেচনায় নিন।। আমি সহজ সরল একটা সচেতন মানুষ। ভদ্রভাবে দলীয় কর্মী ও নেতাদের সংশোধনে যা বলি তা মোটেও হেলাফেলার নয়। যদিও জানেন, সমালোচনা অনেকের অসহ্য বরং তেড়েফুঁড়েআসে। আমি যুদ্ধংদেহী নই। সংযমী ও সাবলীল ভাষায় সুষম উন্নয়নের কথা বলি।আমলে নিলে লাভবান হবে সরকার, দল ও বঙ্গবন্ধুর সাধারন মানুষ। আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারি দল। দলটি ক্ষমতায় থাকুক এই প্রত্যাশা সব সময়ের। তবে কতিপয় নেতা-কর্মীর অতিরিক্ত নোংরা স্বভাবে লাগাম দেয়াও জরুরি। সে উপলব্ধি থেকেই আমি বলতে চাই,আওয়ামীলীগ নেতাদের মনথেকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নইলে দল হিসাবে আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শেখ হাসিনা দেশের প্রধানমন্ত্রী, অাওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি সত্য বলতে পিছপা হোন না তা আমরা আগেও দেখেছি। দলের-তৃনমূল কর্মীদের মূল্যায়ন করতে এর আগেও বার কয়েক তাগিদ দিয়েছেন। কিন্তু এতে খুব লাভ হয়েছে বলে মনে হয়না। নেতাদের একটাই লক্ষ, নিজের পদ পদবী ও যেনতেন প্রকারে অর্থ রোজগার করতে হবে, বউ-বাচ্চা নিয়ে বিলাস-ব্যসনে জীবন-যাপন করতে হবে। এটি দোষের নয়, দোষের হলো দলকে ঠকিয়ে, মানুষকে ঠকিয়ে, রাষ্ট্রকে ঠকিয়ে অর্থোপার্জন। আমি যদি বলি, তবে কারা করছে, সুযোগ দিচ্ছে কারা, সেটিও আমাকে সনাক্ত করে ওষুধ লিখতে হবে। একটি সনির্বন্ধ ও বিনীত অনুরোধ,আজকাল বানের জলের মতো কুমিল্লা উওরে আওয়ামী লীগে সদস্য বাড়ছে। এ সংবাদে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসাবে আপনাদের কোনোই বক্তব্য-বিবৃতি পাচ্ছেনা জেলাবাসী। আমাদের তো জানার রাইট আছে নাকি? কারা এই সময়ে এসে আওয়ামী প্রেমে গদগদ হয়ে উঠলো? এবং কেন? চারদিকে খবরে সয়লাব জামাত-শিবির- বিএনপি আসছে ঝাঁকের কই হয়ে, তো আপনারা কি খুশি? জবাবটি জানবার বড় ইচ্ছে কুমিল্লা উওর আওয়ামীলীগ এর মাননীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাহেব এর কাছে। কুমিল্লা উওরের বিশেষ করে আমার দেবিদ্বার এর সকল আওয়ামীলীগার দের বর্তমান উপলব্ধিকে সাধুবাদ। কারন এরা একদল আওয়ামী লীগার কি করবে বুঝে উঠতে পারছেনা। চিত্তের উন্নতি…? আরে বাদ দেন, বিত্তের বিলাস চাই, চিত্তের শুদ্ধতা দিয়ে কি হবে? এই ধরনের লেকচার দেয় ওরা। এদের থামানো প্রয়োজন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যতের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে। নইলে এক সময় এরাও ডুববে, ডুবাবে সরকার ও দলকে, তখন কারোরই কিছুই করার থাকবে না।।

আরো পড়ুন :  স্বাধীন বাংলাদেশের এই ৫০ বছরে- সজীব ওয়াজেদ জয়

জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।।।
সাগর হোসেন সবুজ
সময় সাময়িক রাজনীতি বিশ্লেষক (সোশাল মিডিয়া)
সানড্রি অ্যায়ারস লিঃ (চট্রগ্রাম)
ইমেইল: shagor178741@gmail.com

One response to “করোনায় আক্রান্ত কুমিল্লা উওরের রাজনীতি।”

  1. সাগর says:

    অসংখ্য ধন্যবাদ, আমার লেখনি প্রকাশের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা