1. admin@meghnarkagoj.com : admin :
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন দেবিদ্বারে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারর্স এসেসিয়েশন’র ঈদ পুণর্মিলনী ও আলোচনা সভা দেবিদ্বারে সুবিল ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল দেবিদ্বার প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়োগনেষ্টিক সেন্টার মালিক সমিতির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল দেবিদ্বারে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে শ্রমীকদের কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ,ঘন্টাব্যাপি তীব্র যানযট কুমিল্লা (উঃ) জেলা আওয়ামীলীগের সংবাদ সম্মেলন ও সাংবাদিক মতবিনিময় দেবীদ্বারে সাথী ফসল হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে বাঙ্গি’র চাষ দেবীদ্বারে শতাধিক অসহায়ের মাঝে যুবলীগের ইফতার সামগ্রী বিতরণ দেবীদ্বারের শিক্ষানুরাগী অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরিফুর রহমানের মানবিকতা দেবীদ্বার উপজেলা আ’লীগের কমিটি গঠনে জেলা সাংগঠনিক টিমের প্রথম সভায় গুরুত্বপুর্ন সিদ্ধান্ত

খরচ না ওঠার আশঙ্কায় বাদ সপ্নের বুলেট ট্রেন

দৈনিক মেঘনার কাগজ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৮১ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্কঃ

ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার বেগে ছুটবে ট্রেন। মাত্র ৫৫ মিনিটে ঢাকা থেকে যাওয়া যাবে চট্টগ্রাম। দেশের মানুষ গতিময় এ বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন দেখা শুরু করতে না করতেই হোঁচট খেয়েছে এ প্রকল্প।

১১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশা প্রণয়নের কাজ শেষে এ থেকে সরে এসেছে রেল মন্ত্রণালয়। এর আগে ১০০ কোটি টাকা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর গত অক্টোবরে বাদ দেয়া হয় ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা। তখন বলা হয়েছিল, এই পথে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে এক্সপ্রেসওয়ের প্রয়োজন নেই।

তবে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলছেন, বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি বাদ দেয়া হয়নি। এটি সরকারের পরিকল্পনার অংশ। প্রকল্পটি কবে বাস্তবায়ন করব সেটা ‘সিকুয়েন্স’ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন মূলত অর্থায়ন জটিলতা ও যথাসময়ে বিনিয়োগ তুলতে না পারার শঙ্কা থেকে ব্যয়বহুল এ প্রকল্প থেকে সরে এসেছে সরকার।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘২০১৬ সালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ৩০ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় এ প্রকল্প ছিল না। হঠাৎ করে ২০১৮ সালে এ প্রকল্পের জন্য চীনা একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা হয়, যা পরে বাতিলও হয়।’
তবে চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা বাতিল হলেও সম্ভাব্যতা যাচাই ও নকশা প্রণয়নের কাজ করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘এতে খরচ হয় প্রায় ১১৩ কোটি টাকা। তখন এ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল দেড় হাজার কোটি টাকা।

ব্যয়বহুল এই প্রকল্পের অর্থায়নে জটিলতা ও বিনিয়োগ ফেরত আসা নিয়ে সংশয় থেকে এ প্রকল্প আপাতত স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানালেন ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ‘বিপুল অর্থের সংস্থান না হওয়া ও বিনিয়োগ যথাসময়ে ফেরত আসা নিয়ে সংশয় থেকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্পের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। এর চেয়ে একই রুটে ডাবল লাইনের প্রকল্পের কাজ শেষ করা লাভজনক। কারণ এতে খরচ অনেক কম হবে এবং বাণিজ্যিকভাবেও লাভজনক।

আরো পড়ুন :  আজও রক্তক্ষরণ হচ্ছে খালেদা জিয়ার-অবস্থা ‘সংকটাপন্ন’

এ প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘আমরা এ প্রকল্প থেকে সরেও আসিনি বা স্থগিতও করিনি। আমরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা অনুযায়ী রেলকে এগিয়ে নিতে কাজ করছি। এখানে কোনটা আগে করব বা কোনটা পরে করব, সেটা সিকুয়েন্স অনুযায়ী নির্ধারণ হবে। প্রকল্পটি স্থগিত হয়ে গেছে এ তথ্য সঠিক নয়। সিকুয়েন্স অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।
বিদ্যমান কাঠামো উন্নত করার দিকে সরকার জোর দিচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
কী ছিল পরিকল্পনায়?
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মোট ৩৫০ কিলোমিটার উড়ালপথে পাথর বিহীন ট্র্যাক দিয়ে চলার কথা দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন।

বলা হয়েছিল, এতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা পনের মিনিট সময়। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্পা, ফেনী ও চট্টগ্রামের পাহাড়তলিতে মোট পাঁচটি স্টেশন হওয়ার কথা এ ট্রেনের জন্য, যা মাল্টি মোডেল ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা।
এখন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের রেলপথে দূরত্ব ৩২৫ কিলোমিটার। রেল এখন ঢাকা থেকে গাজীপুর হয়ে ঘুরে ভৈরব, লাকসাম হয়ে চট্টগ্রাম থেকে ৭-৮ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। নতুন এ রুটে অন্তত একশ কিলোমিটার পথ কমে আসতো।

সুত্রঃ দৈনিক বাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা