1. admin@meghnarkagoj.com : admin :
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবিদ্বার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন দেবিদ্বারে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারর্স এসেসিয়েশন’র ঈদ পুণর্মিলনী ও আলোচনা সভা দেবিদ্বারে সুবিল ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিল দেবিদ্বার প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড ডায়োগনেষ্টিক সেন্টার মালিক সমিতির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল দেবিদ্বারে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে শ্রমীকদের কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ,ঘন্টাব্যাপি তীব্র যানযট কুমিল্লা (উঃ) জেলা আওয়ামীলীগের সংবাদ সম্মেলন ও সাংবাদিক মতবিনিময় দেবীদ্বারে সাথী ফসল হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে বাঙ্গি’র চাষ দেবীদ্বারে শতাধিক অসহায়ের মাঝে যুবলীগের ইফতার সামগ্রী বিতরণ দেবীদ্বারের শিক্ষানুরাগী অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরিফুর রহমানের মানবিকতা দেবীদ্বার উপজেলা আ’লীগের কমিটি গঠনে জেলা সাংগঠনিক টিমের প্রথম সভায় গুরুত্বপুর্ন সিদ্ধান্ত

দেবিদ্বারে যথাযোগ্য মর্জাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

দৈনিক মেঘনার কাগজ
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১০২ বার পঠিত
দেবিদ্বার প্রতিনিধি:
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেবিদ্বার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দেবিদ্বার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, মুক্তিযুদ্ধ চত্ত্বর ও গণকবরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এসময়ে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও গনসংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থকগন উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টুকুতেই পাকিস্তানী হানাদারবাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানী-গুণী ও মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের হত্যা করা হয়।
১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তান বাহিনী যখন বুঝতে শুরু করে যে তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব না, তখন তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগতদিক থেকে দূর্বল, মেধাশূণ্য এবং পঙ্গু করে দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করতে থাকে।
সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানী বাহিনী তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত।
বন্দী অবস্থায় বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়াও যায়নি বহু লাশ। ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
আরো পড়ুন :  সংক্রমণ বেশি না বাড়লে বন্ধ হবে না স্কুল-কলেজ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা