1. admin@meghnarkagoj.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্তানকে নিয়ে হলে এসে এসএসসি পরীক্ষা দিলেন যমজ দুইবোন! দেবিদ্বারে যুব মহিলা লীগের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্ম বার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা দেবিদ্বারে এমপি-চেয়ারম্যানের দ্বন্ধের তদন্ত প্রতিবেদন ১৫ কার্য দিবসে প্রধান মন্ত্রীর কাছে জমাদানের নির্দেশ আ’লীগ সভাপতি উপর হামলা ও এমপি রাজী’র নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে দেবিদ্বারে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল দেবিদ্বারে শান্ত হত্যাকান্ডে দুই আসামী গ্রেফতার, খুনিদের গডফাদারকে আইনের আওতায় আনার দাবী এলাকাবাসীর মাহবুবুর রহমানের মাতৃ বিয়োগে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বাহরাইন জেলা শাখার শোক দেবিদ্বারে উপজেলা চেয়াম্যানের পানিবন্দী ৫০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ দেবিদ্বারে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন দেবিদ্বারে নবাগত ওসি কমল কৃষ্ণ ধরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় দেবিদ্বারে ছাত্র বলৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

আরও চার হাজার কোটি টাকা ফিরেছে শেয়ারবাজারে

দৈনিক মেঘনার কাগজ
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১০৬ বার পঠিত

মেঘনার কাগজ ডেস্কঃ
গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা আরও চার হাজার কোটি টাকার বেশি মূলধন ফিরে পেয়েছে। সপ্তাহটিতে শেয়ারবাজারের প্রধান প্রধান সূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৪০ কোটি ৬২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯১ টাকায়। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৫ লাখ ৫৭ হাজার ১৯০ কোটি ৪৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯০ টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা চার হাজার ৩৪৯ কোটি ৮৫ লাখ ২৪ হাজার ৬৯৯ টাকা ফিরে পেয়েছে।

সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঁচ হাজার ৩০৯ কোটি ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৭৯ টাকার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল পাঁচ হাজার ৩৯ কোটি ৯৭ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪০ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন ২৬৯ কোটি ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৭৩৯ টাকা বা ৫ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৮.৫৪ পয়েন্ট বা ০.৭০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৯৮৪.৭৪ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৬.৫৪ পয়েন্ট বা ১.১৩ শতাংশ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৭৫.৪৬ পয়েন্টে। তবে ডিএসই-৩০ সূচক ৩.৭৫ পয়েন্ট বা ০.১৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৩২.১৯ পয়েন্টে।

সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮০টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৭৮টির বা ৭৩.১৬ শতাংশের, কমেছে ৭৯টির বা ২০.৭৯ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির বা ৬.০৫ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৩৫ কোটি ৭০ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২৪২ কোটি ৬৫ লাখ ৯৭ হাজার ৭২৬ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ছয় কোটি ৯৫ লাখ ৬৯ হাজার ২৯৫ টাকা বা ৩ শতাংশ কমেছে।

আরো পড়ুন :  মেঘনায় আগুনে ২ ঘর পুড়ে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ঘর-বাড়ি ভয়াবহ আগুনে পুড়ে নিঃস্ব একটি পরিবার

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০৭.৩১ পয়েন্ট বা ১.০২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৪৬২.১৮ পয়েন্টে। সিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ১১৪.১৩ পয়েন্ট বা ০.৯৩ শতাংশ এবং সিএসআই ২৯.০৪ পয়েন্ট বা ২.৩৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২ হাজার ২৯৪.৬১ পয়েন্টে এবং সিএসআই এক হাজার ২৬৮.২৮ পয়েন্টে। অন্যদিকে সিএসই-৩০ সূচক ১৯.৬১ পয়েন্ট বা ০.১৩ শতাংশ এবং সিএসই-৫০ সূচক ৩.৬০ পয়েন্ট বা ০.২৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৪ হাজার ৩৩৪.৭৩ পয়েন্টে এবং এক হাজার ৫৪৪.৫২ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৪৩টির বা ৭২.৫৪ শতাংশের দর বেড়েছে, ৭৭টির বা ২২.৯৯ শতাংশের কমেছে এবং ১৫টির বা ৪.৪৭ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১৮.৪১ পয়েন্টে। যা সপ্তাহ শেষে ১৮.৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে পিই রেশিও ০.১৩ পয়েন্ট বা ০.৮১ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ১১.৭৪ পয়েন্টে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৭.৬৯ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ৩৫.৩৫ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৭.৯০ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৫.২৭ পয়েন্টে, বীমা খাতের ২১.৮৪ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ১৪.৩৩ পয়েন্টে, খাদ্য খাতের ৬৭.৬২ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১৩.৮৪ শতাংশ, চামড়া খাতের ৪১.৭৩ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৫৯.২৯ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ১০১.৩৯ পয়েন্টে, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ৩১০.৬৯ পয়েন্টে, পেপার খাতের ৫২.০৩ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১৩.১৩ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২২.৯৫ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ১১০.৯৮ পয়েন্টে এবং পাট খাতের পিই (-) ৩৬.০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা